হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে জোট গঠনের জন্য সমর্থন জোগাড়ে কাজ করছে মার্কিন কর্মকর্তারা।

মার্কিন কর্মকর্তারা সপ্তাহান্তের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই দাবির পক্ষে সমর্থন জোগাড় করতে, যাতে অন্যান্য দেশ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই একটি নতুন আন্তর্জাতিক জোট ঘোষণা করার আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে সেই জোটে কোন কোন দেশ থাকবে এবং কবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে—এ বিষয়গুলো এখনো স্পষ্ট নয়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও চলমান যুদ্ধের মধ্যে এই বিতর্কিত জলপথে তাদের সেনাবাহিনী পাঠানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তারপরও মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তত প্রাথমিকভাবে কিছু দেশের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার আশা করছেন তারা। যদিও কোন দেশ কখন এবং কী ধরনের জাহাজ পাঠাবে—এসব বিস্তারিত বিষয় পরে নির্ধারণ করা হতে পারে।

রবিবার সন্ধ্যায় ট্রাম্প ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তবে ওই আলোচনার পরও ব্রিটেনের সামরিক সম্পদ দ্রুত হরমুজ প্রণালীর দিকে পাঠানোর কোনো ঘোষণা আসেনি।

ধারণা করা হচ্ছে, সপ্তাহজুড়ে ট্রাম্প আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন। বৃহস্পতিবার তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানাবেন। নির্বাচিত হওয়ার পর এটি হবে তার প্রথম হোয়াইট হাউস সফর।

তবে তাকাইচিও এখনো জাপানের যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালীতে পাঠানোর বিষয়ে স্পষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি।

এদিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা এখনও মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, অর্থাৎ অন্তত আরও দুই সপ্তাহ যুদ্ধ চলার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইতোমধ্যে ইরানের অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নৌবাহিনীর ওপর আঘাত হানতে সফল হয়েছে। তবুও ইরানের কঠোরপন্থী সরকার এখনও ক্ষমতায় রয়েছে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা দেখিয়ে যাচ্ছে।

ইউরোপীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্প আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর ছেড়ে দিতে পারেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের কাছ থেকে সমর্থন নেওয়ার তেমন কোনো চেষ্টা করা হয়নি বলেও তারা মনে করেন।

তবে একই সঙ্গে তারা পরিস্থিতি খুব সতর্কভাবে সামাল দিতে চাইছেন, কারণ এই সময়ে ট্রাম্পকে বিরক্ত করতে চান না তারা। বিশেষ করে যখন আরেকটি বড় সংঘাত—ইউক্রেন যুদ্ধ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *